মোঃ ফয়সাল আলম
প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ,
শুভেচ্ছা রইলো। কেমন আছ তোমরা? আশা করি ভালো। তোমাদের এসএসসি পরীক্ষা অতি নিকটবর্তী। বলা যায় দুয়ারে কড়া নাড়ছে। সেই লক্ষ্যে তোমরা মনোযোগ সহকারে লেখাপড়া করছো বলেই আমার ধারণা। একই সঙ্গে আশা করছি ইতিমধ্যে তোমরা তোমাদের পরীক্ষার প্রস্তুতি সম্পন্ন করে ফেলেছ।পরীক্ষায় উত্তরদানে আমি তোমাদেরকে আজ সংক্ষেপে কিছু পরামর্শ দেব। তোমরা পরামর্শগুলো পালন করলে উপকৃত হবে বলেই আমার বিশ্বাস।
১. উত্তর হবে সুস্পষ্ট এবং সহজ-সরল। এতে কোন অস্পষ্টতা কিংবা জটিলতা থাকবে না।
২.অপ্রাসঙ্গিক লেখালেখি বাদ দিয়ে সরাসরি মূল প্রসঙ্গে চলে গেলে পরীক্ষকের ইতিবাচক ধারণা তৈরি হবে। ভূমিকার ভারে মূল বক্তব্য যেন তলিয়ে না যায় সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।
৩.উত্তর লেখার সময় বিশদ ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। উত্তর যত সংক্ষিপ্ত হবে, পরীক্ষকের জন্য এতে নম্বর দেওয়াও ততই সহজ হবে। এমন লেখা উচিত নয়, যা দেখে এক পর্যায়ে পরীক্ষকের ধৈর্যচ্যুতি ঘটে।
৪. অস্পষ্ট, হিজিবিজি হাতের লেখা পরীক্ষকের বিরক্তির উদ্রেক করতেই পারে। তাই হস্তাক্ষর সুন্দর হওয়া দরকার। সুন্দর লেখার প্রতি পরীক্ষকরা ইতিবাচকভাবে আকৃষ্ট হয়ে থাকেন।
৫.প্রশ্নের উত্তরে ব্যক্তিগত মতামতের আধিক্য ঘটানো যাবে না।
৬.খাতায় অবশ্যই মার্জিন করতে হবে। পেনসিল দিয়ে মার্জিন করবে।
৭.একটি প্রশ্নের উত্তর লেখা শেষ হলে নিচে কিছুটা জায়গা ফাঁকা রেখে পরবর্তী প্রশ্নের উত্তর লেখা শুরু করা উত্তম।
৮. ধারাবাহিকভাবে সকল প্রশ্নের উত্তর লেখা ভালো। এতে করে পরীক্ষকের পক্ষে খাতা মূল্যায়ন করা সহজ হয় এবং পরীক্ষকও খুশি হন।
৯.পরীক্ষায় রিভিশন দেয়ার জন্য অবশ্যই সময় রাখবে। যদি সময় করে পুরো খাতায় রিভিশন করা যায়, খুব ভালো হয়।
পরিশেষে বলতে হয়, পরীক্ষার খাতায় তোমার উত্তর হবে বিষয়ভিত্তিক ও প্রাসঙ্গিক। অপ্রাসঙ্গিক লেখালেখি দিয়ে মূল বক্তব্যকে ভারাক্রান্ত করা যাবে না। এই সময়ে মনোযোগ সহকারে অনুশীলন করবে। পরীক্ষার হলে এমন কোন কাজ করবে না যাতে তোমার ক্ষতি হয় এবং একই সাথে তোমার নিজ প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুন্ন হয়। তোমরা ভালো থাকো এবং পরিবারকে ভালো রাখো। তোমাদের সবার জন্য দোয়া ও আশীর্বাদ রইলো। ধন্যবাদ।
মোঃ ফয়সাল আলম
সিনিয়র শিক্ষক
শহীদ কর্নেল কাজী এমদাদুল হক পাবলিক স্কুল বিজিবি,রাজশাহী।