গাজীপুরে ঈদুল ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় সচেতন ধর্মপরায়ণ মুসল্লিদের মধ্যে প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। নামাজের আয়োজনকারীদের কে স্থানীয় লোকজন ভন্ড, লম্পট, মাতাল , মূর্খ ও ফেতনা সৃষ্টিকারী বলে আখ্যা দিয়েছেন। শওয়ালের চাঁদ না দেখেই গাজীপুর সদর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের পূর্ব ডগরি দক্ষিণপাড়া এলাকায় আজ রোববার সকাল সাতটায় একটি মাদ্রাসায় ঈদুল ফিতরের ওই নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় মুসল্লী হুমায়ুন মুন্সি, শরীফুল আলম , স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আস্কর আলী মুন্সী জানালেন, ঈদুল ফিতরের ওই নামাজের জামাতে গাজীপুরের কোন লোক অংশগ্রহণ করেননি। চাঁদপুর ও কুমিল্লা থেকে আসা ভন্ড প্রকৃতির মুসল্লীরা এতে অংশ নেন। তারা আরো বলেন, চাঁদপুর ও কুমিল্লার ভন্ড ওই মুসল্লীরা অন্ধ ও ফালতু। গাজীপুরে এরা নাটক করতে এসেছে। এরা মুসল্লিদের কাতারে পরে কিনা সন্দেহ।
চাঁদপুর জেলা নিবাসী জনৈক মাহবুবুর রহমান গাজীপুর সদর উপজেলার ডগরি এলাকায় প্রায় ২৫ বছর আগে একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। ওই মাদ্রাসার মাঠে সকাল সাতটায় ঈদের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয় যেখানে নামাজে ইমামতি করেন ওই মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মাহবুবুর রহমান।খবরটি ছড়িয়ে পড়লে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওঠে প্রতিবাদের ঝড়। ঈদ নামাজ শেষে ইমাম মাহবুবুর রহমানকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। ওই মাদ্রাসার পাশেই এক মসজিদে কাল সোমবার সকালে স্থানীয় এলাকাবাসী ঈদুল ফিতরের নামাজে শরীক হবেন।

Discussion about this post