Print Date & Time : 5 April 2025 Saturday 2:23 pm

মধুপুরে বিউটি পার্লারের নামে অপপ্রচারের প্রতিবাদ

মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:
বিউটি পার্লারের নামে অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে আসমা খাতুন নামের এক নারী।
ঘটনাটি ঘটেছে টাঙ্গাইলের মধুপুরে। ৪ এপ্রিল শুক্রবার সকালে মধুপুর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত এসব অভিযোগ তুলে ধরেন মধুপুর উপজেলার সিংগারবাড়ী গ্রামের রফিকুল ইসলামের স্ত্রী ও ওই বিউটি পার্লারের মালিক আসমা খাতুন।

তিনি মধুপুরের ডিজিটাল ওমেন্স বিউটি পার্লারের মালিক। তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মধুপুর পৌর শহরের ময়মনসিংহ সড়কের আনোয়ার হোসেনের ভবনে।

সংবাদ সম্মেলনে এই নারী উদ্যোক্তা তার পার্লারের ভাব মূর্তি, সুনাম নষ্ট ও সেবা গ্রহীতাদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগ করেন।

এসময় তিনি চাঁদা দাবিসহ তাকে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ তুলেছেন সুবর্ণা সাংমা ও প্রিন্স এডওয়ার্ড নামের দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

লিখিত বক্তব্যে আসমা খাতুন জানান, ১২ বছর যাবৎ তিনি সুনামের সাথে বিউটি পার্লার পরিচালনা করে আসছে। গত ২০২৩ সালের ১২ ডিসেম্বর উপজেলার জাঙ্গালিয়া গ্রামের সুবর্ণা সাংমা নামের একটি বিউটি পার্লার কর্মী তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাজ করার চুক্তিতে বিশ হাজার টাকা অগ্রীম নিয়ে কাজ শুরু করেন। কিছুদিন পর সে কাজ ছেড়ে চলে যান। অগ্রীম টাকা ফেরৎ দিতে টালবাহানা শুরু করে বলে অভিযোগ করেন।

এসময় তিনি জানান, টাকা ফেরৎ না দেয়ায় ফন্দি হিসাবে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে সেবা গ্রহীতাদের বিভ্রান্তকরার অভিযোগ তুলেন।

এসময় তাকে ও তার স্বামীকে ব্ল্যাকমেল ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ করেছেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারী ব্যক্তির বিরুদ্ধেও চাঁদা দাবিসহ বিভিন্ন অভিযোগ উপস্থাপন করেন।

এ ব্যাপারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহারকারী প্রিন্স এডওয়ার্ড এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং সুবর্ণা সাংমাকে ফোনে জিজ্ঞেস করলে ২০ হাজার টাকার কথা স্বীকার করেন। তবে তিনি বলেন মাসে মাসে পরিশোধ করেছে বলে জানান। তবে অন্য বিষয়গুলো তিনি এড়িয়ে যান। এসময় ওই পার্লারের এক মহিলা কর্মী ও তার স্বামী রফিকুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। এসময় ওই পার্লা কর্মী সুমাইয়া তিনি পার্লারে অসামাজিক কার্যকলাপ দেখেনি বলে জানান।

মধুপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমরানুল কবির বলেন, লিখিত অভিযোগটি এখনো হাতে পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।