মারফত আফ্রিদী, মিরপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি: কুষ্টিয়ার মিরপুরে সড়কে গাছ ফেলে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।
এসময় একটি যাত্রীবাহী বাসের যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা ও মালপত্র লুট করা হয়েছে।
শনিবার (২২ মার্চ) ভোর রাত সাড়ে ৪টার দিকে মিরপুর উপজেলার কুষ্টিয়া-মেহেরপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের ভাঙা বটতলা নামকস্থানে এঘটনা ঘটে।
এসময় ডাকাতদের হামলায় বাসের চালক আমজাদ হোসেন আহত হয়েছেন। তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ডাকাতের কবলে পড়া এসবি সুপার ডিলাক্স বাসটির চালক আমজাদ হোসেন বলেন, ঢাকা থেকে তাঁদের বাসটি কুষ্টিয়ার উদ্দেশ্যে রাত পৌনে ১১টার দিকে ছেড়ে আসে। কুষ্টিয়া কাউন্টারে রাত সাড়ে ৩টায় যাত্রী নামিয়ে সেহেরী শেষ করে যাত্রী নামাতে মেহেরপুর কাউন্টারে যাচ্ছিলাম। এসময় পথের মধ্যে ভোর রাত সাড়ে চারটার দিকে মিরপুর উপজেলার ভাঙা বটতৈল নামক স্থানে পৌঁছালে সড়কে গাছ ফেলে ও একটি ট্রাক আড়াআড়ি রাখা দেখে বাসের গতি কমিয়ে ফেলা হয়। এসময় বাসটির পাশাপাশি কয়েকটা ট্রাক ও নসিমন আটকা পড়ে। এরপর একদল মুখোশধারী ব্যক্তি দরজা-জানালার গ্লাস ভেঙে বাসে ঢুকে গাড়ি থামাতে বলে। আমি বাঁধা দিলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দেই। আমি হাত দিয়ে ঠেকানোর চেষ্টা করলে একটি আঙুলের রগ কেটে যায়। এরপর অস্ত্রের মুখে যাত্রী ও বাসের স্টাফদের মারধর করে তাদের কাছ থেকে টাকা, মুঠোফোন ও অন্যান্য মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
আহত চালক আমজাদ হোসেন আরও বলেন, এসময় বাসটিতে ৫ জন যাত্রী ও ৪ জন স্টাফ ছিল। বাসের পাশে আটকে পড়া গাড়িগুলোতেও ডাকাতি করে তারা। তাদেরও মারধর করা হয়েছে। আমি আহত হওয়ায় ডাকাতি চলাকালীন সময়েই হেলপার আমিনের সহযোগিতায় বাস ঘুরিয়ে আবার কুষ্টিয়ার দিকে চলে আসি। ফিরে এসে আমি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি জেনেছি। তবে বাসটিতে তেমন যাত্রী ছিল না বলে জানতে পেরেছি। এঘটনার তদন্ত চলছে।
এব্যাপারে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ কর্মকর্তারা রয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে পুলিশের টিম কাজ করছে।

Discussion about this post