নিজস্ব প্রতিনিধি: কুষ্টিয়া সদর উপজেলা হরিনারায়ণ পুর ইউনিয়নে বেশ কিছু মুদি দোকানে জ্বালানি তেল মজুদ করে লিটার প্রতি ৩০০ টাকা করে বিক্রির অভিযোগে স্থানীয় জনগণ চন্দন স্টোর নামের একটি মুদি দোকানের গোপন কক্ষ থেকে মজুদকৃত তেল উদ্ধার করে।
সিন্ডিকেট করে তেল মজুদ রেখে বেশি মূল্যে বিক্রি করছে অসাধু ব্যবসায়ী চক্র।
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে জ্বালানি তেলের মূল্য সরকার নির্ধারিত মূল্যের থেকে খোলাবাজারে অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বাড়ছে। বাজারে গিয়ে ক্রেতারা অভিযোগ করছেন একই তেলের দাম একেক দোকানে একেক রকম নেওয়া হচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।অনেক ব্যবসায়ী দাবি করছেন, আমদানি খরচ বৃদ্ধি, ডলার সংকট এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ঊর্ধ্বগতির কারণে তারা বাধ্য হয়ে বেশি দামে তেল বিক্রি করছেন। তবে ভোক্তাদের অভিযোগ, এসব অজুহাতে অতিরিক্ত মুনাফা করছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী।
এদিকে, বাজার তদারকির দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, তারা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে এবং অতিরিক্ত দাম নেওয়ার প্রমাণ পেলে জরিমানা করা হচ্ছে। তারপরও বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরছে না। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, অভিযানের সময় কিছু দোকানদার সাময়িকভাবে দাম কমালেও পরে আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, শুধু অভিযান চালিয়ে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। সরবরাহ ব্যবস্থা স্বচ্ছ করা, আমদানির প্রক্রিয়া সহজ করা এবং বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে দামের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি, ভোক্তাদের সচেতনতা বাড়ানোও জরুরি, যাতে তারা অতিরিক্ত দামে পণ্য কেনা থেকে বিরত থাকতে পারেন।
সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে এ নিয়ে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে।
সরকারি মহল থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রয়োজনে আরও কঠোর মনিটরিং এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। তবে বাস্তবে এসব পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে।
প্রিন্ট করুন






Discussion about this post