ঠাকুরগাঁও অফিস:
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী যা বলছে তাই নাকি করতে হবে; ওটা না করলে নাকি ভোট হতে দেবে না। ভাই, ভোটকে এত ভয় পাচ্ছ কেন? কারণ তুমি জান যে ভোট হলে তোমার অস্তিত্ব থাকবে না। এই কারণে তোমরা ভোটকে এত ভয় পাও, নির্বাচনকে ভয় পাও।
১১ নভেম্বর দুপুরে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার কে কে বাড়ি লক্ষ্মীরহাট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
মির্জা ফখরুল বলেন, আমি পরিষ্কার করে বলতে চাই আজকে জামায়াতে ইসলামী বিভিন্ন অযুহাতে তুলে দেশকে একটা অস্থিতিশীলতার দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। আমরা এর তীব্র বিরোধিতা করছি। আমরা মনে করি এই সমস্ত বিষয় নিয়ে সমস্যা তৈরি করে গণতন্ত্রকে ব্যাহত করা বরাবরই জনগণ বরদাস্ত করবে না।
তিনি বলেন,এলাকায় একটাও এনসিপি নেই। তাহলে তাদের ভোটটা হবে কীভাবে? সে কারণে তারা জামায়াতের সঙ্গে সুর মেলায়। তারা পিআর চায়, জনগণ পিআর বোঝে না। এটা হচ্ছে মানুষকে বিভ্রান্ত করা, ভুল বোঝানো। আমরা সব সময় সুযোগ পাই না দেশকে উন্নত করার, দেশকে ভালো করার। ১৫ বছর আমাদেরকে ভোট দিতে দেয়নি। এবার আমরা ভোট দিতে পারব। ভোট যেহেতু দিতে পারতেছি তাহলে সেভাবেই ভোট দেব যাতে দেশটার উন্নত হয়। আমরা বলেছি আমরা যদি সরকারে যেতে পারি কৃষক ভাইদের যেসব সমস্যাগুলো আছে- বীজের সমস্যা, সারের সমস্যা ও পানির সমস্যা। সেই সমস্যাগুলো আমরা সমাধানের চেষ্টা করব। আমরা অতীতেও করেছি।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ৯ মাস সংস্কারের নামে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলাপ আলোচনার পরও অমীমাংসিত বিষয়গুলো চাপিয়ে দিতে চাইলে এর দায় বিএনপি নেবে না। এর দায় সরকারকে নিতে হবে। আমরা মনে করি এই সমস্ত বিষয় নিয়ে সমস্যা তৈরি করে গণতন্ত্রকে ব্যাহত করা বরাবরই জনগণ বরদাস্ত করবে না।
এ সময় বিএনপি ক্ষমতায় গেলে প্রথম ১৫ মাসের মধ্যে ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টিসহ মহিলাদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষকদের জন্য ফারমার্স কার্ড করা হবে বলে জানান মির্জা ফখরুল।
মতবিনিময় সভায় জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সল আমিন, সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, সদর সভাপতি আব্দুল হামিদসহ স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রিন্ট করুন






Discussion about this post