পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি:
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকার গঠিত কারিগরি কমিটি শুস্ক মৌসুমে নদীর পানি ধরে রাখতে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ভাটিতে আরেকটি ব্যারাজ নির্মাণের পরামর্শ দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ‘তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলনের’ প্রধান সমন্বয়কারী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার কুচলিবাড়ি ইউনিয়নের গোলমুন্ডা এলাকায় সানিয়াজান নদীতে সেতু নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে আন্তরিক ফলে ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তিস্তা অববাহিকায় শুস্ক মৌসুমে পানির সংকট হয় ফলে আমরা এ সমস্যা সমাধান জানতে চেয়েছিলাম সরকার গঠিত কারিগরি কমিটির কাছে। তাঁরা তিস্তা ব্যারাজের ভাটিতে আরেকটি ব্যারাজ নির্মাণের পরামর্শ দিয়েছেন পানি ধরে রাখার জন্য। আগামী মঙ্গলবার বুয়েটে এ বিষয়ে একটি সেমিনারে বিস্তারিত আলোচনা হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটি একটি বিশাল প্রজেক্ট। আমরা এমন কিছু করবো না যাতে জনগণের অর্থ ব্যয় করে অকার্যকর হয়। সুতরাং পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে আগামী বছরই মহাপরিকল্পনার কাজ শুরু হবে।’
চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের বন্যায় সম্প্রতি ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের পূর্ণবাসন ও ক্ষতিগ্রস্থ অবকাঠামো পুণরায় নির্মাণে কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী।
এর আগে সকালে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার ডাউয়াবাড়িতে জেলার সমতলের প্রথম চা বাগান ও ফ্যাক্টরি পরিদর্শন করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী। পরে দুপুরে পাটগ্রাম থানা ভবনের নতুন প্রশাসনিক ভবন এবং বিকেলে উপজেলার জগতবেড় ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে বন্যা ভাঙন আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন তিনি।
এ সময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রীর সাথে লালমনিরহাট-১ (হাতীবান্ধা-পাটগ্রাম) আসনের সংসদ সদস্য হাসান রাজীব প্রধান এবং বিএনপির জেলা, উপজেলার বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা সাথে ছিলেন।
এল//দৈনিক দেশতথ্য //ঢাকা //
প্রিন্ট করুন










Discussion about this post