Saturday, 7 November 2026
🕗
দৈনিক দেশতথ্য
Advertisement
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয় খবর
  • স্থানীয় খবর
  • বিদেশি খবর
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • কৃষি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • ধর্ম
  • আইটির খবর
  • লাইফস্টাইল
    • ভ্রমণ তথ্য
  • সম্পাদকীয়
    • মতামত
  • অন্যান্য
    • প্রাপ্ত বয়ষ্কদের পাতা
    • সাহিত্য ও সংষ্কৃতি
    • স্মৃতিচারণ/স্মরণ
    • ফটো গ্যালারী
  • ই-পেপার
No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয় খবর
  • স্থানীয় খবর
  • বিদেশি খবর
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • কৃষি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • ধর্ম
  • আইটির খবর
  • লাইফস্টাইল
    • ভ্রমণ তথ্য
  • সম্পাদকীয়
    • মতামত
  • অন্যান্য
    • প্রাপ্ত বয়ষ্কদের পাতা
    • সাহিত্য ও সংষ্কৃতি
    • স্মৃতিচারণ/স্মরণ
    • ফটো গ্যালারী
  • ই-পেপার
No Result
View All Result
দৈনিক দেশতথ্য
No Result
View All Result

তাদের প্রধান খাদ্য যেন মদ। তারা দিনে ঘুমায় রাতে কামায়

বিনোদন ও নাচগানের শহর ভারতের গোয়া

দেশতথ্য ডেস্ক by দেশতথ্য ডেস্ক
Friday, 16 February, 2024.
in ভ্রমণ তথ্য
Reading Time: 1 min read
0
বিনোদন ও নাচগানের শহর ভারতের গোয়া
Share on FacebookShare on Twitter Share on E-mail Share on WhatsApp

আব্দুল বারী, দেশতথ্য বাংলা:

সময় পেলে ঘুরে আসতে পারেন ভারতের বিনোদন শহর গোয়া। লোকে বলে নাচ-গানের শহর গোয়া। মদের শহর গোয়া। রাতে সেখানে গেলে মনে হবে মানুষের প্রধান খাদ্য বুঝি মদ। আমাদের দেশের ওলিতে গলিতে যেমন আছে হোটেল রেস্তোরা আর ওখানে আছে মদের দোকান। এখানকার মুদির দোকানেও পাওয়া যায় নামিদামী ব্রান্ডের হুইস্কি এবং ওয়াইন।

এখানে এলে মনে হবে আপনি বুঝি কোন ইউরোপীয়ান কান্ট্রিতে আছেন। মদ বেচা কেনার আয়োজন দেখলে মনে হবে মদ না খেলে বুঝি ওখানকার মানুষরা বাঁচতে পারেনা। ওখানকার মানুষ দিনে ঘুমায় আর রাতে জীবিকার্জণ করে। হঠাৎ সেখানে গেলে মনে হতে পারে আপনি বুঝি কোন পরীর পিঠে চড়ে গেছেন পরীস্থানের কোন শহরে। যেদিকে তাকাবেন সেদিকেই দেখতে পাবেন পরী সদৃশ নানা রঙের ললনা। মন চাইলেই তাদের সাথে করতে পারবেন মোজমস্তি।

মদ ও ললনা দেখে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। সেখানে ছিনতাই ধর্ষণ বা জোরজবরদস্তি নেই। যেসব ললনাদের দেখবেন তাদের বেশির ভাগই ভারতের বাইরে থেকে আসা শ্বেতাঙ্গ। তারাও আপনার মতোই গোয়ায় বেড়াতে আসা পর্যটক। তাদের জন্য সেখানে গড়ে উঠেছে অসংখ্য হোটেল মোটেল, রিসোর্ট, গেস্ট হাউজ, বার, ক্যাসিনো, স্পা সেন্টার, বিউটি পার্লার ও ডিসকো।

প্রতিটি সী বিচকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা শহরে দুপুর বারোটার আগে রাস্তাঘাটে লোকের তেমন দেখা মেলেনা। দুপুর পর্যন্ত মানুষ ঘুমায়। সন্ধ্যায় সারা শহর জেগে উঠে। রাত যত বেশি হয় এখানকার জৌলুস ততো বাড়তে থাকে। সাদা কালো বাদামী চামড়ার নারী পুরুষ পর্যটকদের হৈ হুল্লোড়ে সারা রাত ধরে আমোদ প্রমোদ খাওয়া দাওয়ার জন্য সব কিছুই খোলা থাকে।

রেস্ট্রুরেন্ট গুলোতে পাওয়া যায় নানা রকমের বিদেশী খাবার-দাবার। কমপক্ষে সাড়ে চার হাজার রুপির টিকেটে ডিসকো সেন্টারে নেপালীজ এবং শ্বেতাঙ্গীনিদের সঙ্গে বসে পানাহার এবং রাতভর নাচগান করতে পারবেন। রাজধানী পানজীম ছাড়াও গোয়ার ছোটখাটো সব শহরে বিশেষ করে সীবীচ কেন্দ্রিক জনপদে পানশালার ছড়াছড়ি।

গোয়ায় পর্যটনকে বিনোদন শিল্পে পরিণত করেন ডক্টর ডি সুজা। বেঘা সীবীচের গোল চত্বরে এ কৃতি ব্যক্তির স্টাচু বিদ্যমান। গোয়ার ভৌগলিক বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে মাঝারী উঁচু পাহাড়, নদী ছোটখাটো দ্বীপ ও সাগর। এজন্য সাগর ও নদীর মোহনায় প্রায় অরণ্যানি ঘেরা দ্বীপ। এসব দ্বীপেও গড়ে উঠেছে বিনোদন কেন্দ্র। কিন্তু সেসব খুবই ব্যয়বহুল।

শহর দেখার খরচ: স্থানীয় ট্যুর প্রোগ্রামের অফিস থেকে টিকেট নিয়ে মাত্র সাড়ে তিনশ টাকায় (হিসাবটি ২০১৯ সালের) সারা দিন গোয়ার দর্শনীয় স্থান বিশেষ করে সীবিচ, অভয়ারণ্য এবং প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান সমূহ দেখা যায়। এখানকার জীবনযাপন খুব উঁচু মানের। সব কিছুতে খরচপাতি বেশি। সীবীচে বেলুনে আকাশ ভ্রমণ, স্কেটিংসহ নানা বিনোদনের ব্যবস্থা রয়েছে। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে পুলিশের কড়াকড়ি রয়েছে। এখানে ভিনদেশি অপরিচিত আইটেমের খাবারদাবার বেশি। এজন্য বাঙ্গালী খাবার হোটেল খুঁজে বের করে নেয়া ভালো। মার্কেট বিভিন্ন ধরনের পণ্য পাওয়া যায়।

গোয়া প্রদেশের উপর একটু আলোকপাত:
আয়তন ও জনসংখ্যার হিসেবে ভারতের চতুর্থ ক্ষুদ্রতম প্রদেশ গোয়া। বর্তমানে মাত্র ২টি জেলা নিয়ে গোয়া প্রদেশ। এর অবস্থান আরব সাগরের তীরে। এটি পর্যটন প্রধান ভারতের ছোট্ট একটি প্রদেশ। পর্তুগীজ সংষ্কৃতিতে সমৃদ্ধ ইউরোপিয়ান স্টাইলের এই শহরে বৎসরে প্রায় দুই কোটি পর্যটক সমাগম হয়। এখানকার রাষ্ট্রীয় ভাষা কঙ্কানী। হিন্দী অল্প কিছু মারাঠী ও কানাড্ডা ভাষায় স্থানীয়রা কথা বলে।

আরব সাগরের পথ ধরেই একদিন এরাবিয়ানরা এসেছিলো সাউথ ইন্ডিয়ায়। একই পথে এসেছিলেন পর্তুগীজ ও ইউরোপীয়ান বণিকরা সহ বিভিন্ন দেশ ও জাতির লোকেরা। শেষাবদি সেখানে টিকে যায় পর্তুগীজরা। তারা প্রায় সাড়ে চার শো বছরে সেখানে রাজত্ব করেছে। তাদের সংস্কৃতির আগ্রাসণে হারিয়ে গেছে গোয়ার মূল সংস্কৃতি। ভিন্ন সংষ্কৃতির জন্য এই প্রদেশটিতে ভ্রমণকারীরা বেশি ভীড় করে।

কি আছে এখানে:
এই প্রদেশের সবচেয়ে বড় নিয়ামক হলো ১৩ টি সীবিচ। এর মধ্যে বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য হলো বেঘা সীবীচ, ক্যান্ডেলিম সীবীচ, ক্যালানঘুট সীবীচ, অনজুমা সীবিচ, বাটারফ্লাই সীবীচ, ডোনাপাউলো সীবিচ ও গেলগিবেঘা সীবিচ। এই সীবিচের যে কোন শহরে গেলে পাবেন আলাদা অনুভূতি ও আনন্দ।

কিভাবে যাবেন সেখানেঃ
কোলকাতা থেকে বিমান বা ট্রেনে গোয়া যাওয়া যায়। তবে বিমানে যাওয়া নির্জঞ্জাট। ট্রেনে যেমন টিকেট পাওয়া মুশকিল তেমনি ট্রেন স্টেশন থেকে ত্রিশ কিলো ট্যাক্সিতে পানজীম যেতে হয়। তখন বাড়তি খরচ ও সময় দুটোই ব্যয়িত হয়। তাই দেশ বা কোলকাতা থেকে হাজার পাঁচেক টাকার (সময়ের ব্যবধানে এই রেট বাড়তেও পারে) মধ্যে বিমানের রিটান টিকিট নিয়ে রওয়ানা দিবেন। বিমান বন্দরে নেমেই সড়ক পথে সীবিচ কেন্দ্রিক যে কোন একটি শহরে চলে যাবেন।

কোথায় থাকবেন:
এখানে সুলভ ও বিলাসবহুলে থাকা খাওয়ার আছে নানা আয়োজন। কয়েকটি হোটেলের নাম ঠিকানা উল্লেখ করলাম। পকেটের বহর মেপে যে কোন একটিতে উঠতে পারেন। যেমন, কোল্ভা বিচ থেকে ২০০ মিটার দূরে আমিগো প্লাজা রিসোর্ট। এখানে সুইমিং, গরম টাব, ওয়ার্ম সোক, ও আয়ুরবেদিক ম্যাসাজের ব্যবস্থা আছে। ভাড়া ১৫০০ টাকা থেকে শুরু।

লোকেশন:
ফোর ওয়ার্ড, কোল্ভা বিচ, তালুকা সেলসেট, কোল্ভা, গোয়া 403708 উঠতে পারেন দ্য ক্যামেলট রিসোর্ট এ। পাবেন ইউরোপিয়ান স্টাইলের রুম, সুইমিং পুল বা মদ্যপ তৃণভূমি ব্যবহারের সুযোগ। ছুঁয়ে দেখতে পারেন কলোনিয়াল যুগের বিলাসিতাময় জীবন। এটা কলাঙ্গুট বিচ থেকে মাত্র দেড় কিলোমিটার। আর মাপুসা ফ্রাইডে মার্কেট এবং সিঙ্কুয়েরিয়াম বিচ থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে। খরচ: তিন হাজার থেকে শুরু।

লোকেশন: কোবরা ভ্যাডো, কলাঙ্গুট , গোয়া 403516।:
বলিউড হোটেল, কোল্ভা বিচ থেকে অনতিদুরে। এখানে গেলে পাবেন বালির দুর্গ তৈরির সুযোগ, সূর্যাস্ত দেখতে দেখতে হেঁটে বেড়ানো। রূপালী বালিতে ফ্যানাযুক্ত ঢেউ। থ্রি স্টার এই রিসোর্টে আয়ুরবেদিক ট্রিটমেন্ট করার ব্যবস্থা আছে। ভাড়া ১৮০০ থেকে শুরু।

লোকেশন: স্যালসেট, কোল্ভা , গোয়া 403708
কোকো হেরিটেজ হোম: বাগা বিচ থেকে অল্প দূরত্বে ব্লু হোয়েলথ ওয়াটার পার্কের কাছে। এর পুল পার্টি খুবই উপভোগ্য। আছে ওয়াটার পার্কের রাইড ব্যবহারের সুযোগ। খরচ: ৩০০০ হাজার থেকে থেকে শুরু।

লোকেশন: ব্লু হোয়েল ওয়াটার পার্ক, বাগা-আরপোরা রোড, বাগা, গোয়া 403516.
বেলে উইস্তা ওয়াদো-এনভির গ্রীন রিসোর্ট। এটা সাঁনগোল্ডা পঞ্চায়েত এবং কলাঙ্গুট বিচ থেকে সাড়ে চার কিলোমিটার দূরে। এখানে ১২ টি বাংলো স্টাইলের রুম ও দুটি স্যুট আছে। খরচ: দুই হাজার থেকে শুরু।

লোকেশন: 162, চোগম রোড সাঁনগোল্ডা, বারদেজ, সাঁনগোল্ডা, গোয়া 403511
নিউ ইমেজ ইন, সেন্ট অ্যালেক্স চার্চ আর ক্যাসিনো পামস থেকে কয়েক মিনিটের দূরত্বে। এটা পরিবারের সাথে ছুটি কাটানোর জন্য আদর্শ। কমপ্লিমেন্টারি কন্টিনেন্টাল ব্রেকফাস্ট পাবেন। খরচ ৪হাজার থেকে শুরু।

লোকেশন: কলাঙ্গুট, গোয়া 403516.
এখানে মোটর সাইকেল ভাড়া নিয়ে ঘুরতে পারেন সারা দ্বীপাঞ্চল।

সাবধানী বাণী: বিদেশ বিভূই সব দিকেই খেয়াল রাখতে হবে। অতিরিক্ত পান করবেন না। স্পা বা হারবাল ম্যাসাজ খাওয়া দাওয়া যাই করুন না কেন, আগে রেট তারপর উপভোগ নীতি মেনে চলবেন।

লেখকঃ আব্দুল বারী, সিনিয়র সাংবাদিক, ৩৩ কাকরাইল, ঢাকা। ইমেল [email protected]

Tags: গোয়া ভ্রমণ
প্রিন্ট করুন প্রিন্ট করুন
Previous Post

যশোরে শীর্ষ সন্ত্রাসী ও কাউন্সিলারসহ গ্ৰেপ্তার-৭

Next Post

স্ত্রীকে হত্যার কারন জানিয়ে স্বীকারোক্তি

Related Posts

সাফারি পার্কে প্রাণী নিখোঁজ নিয়ে কঠোর অবস্থানে উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান
বিনোদন

সাফারি পার্কে প্রাণী নিখোঁজ নিয়ে কঠোর অবস্থানে উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান

গাজীপুর সাফারি পার্কে গিয়ে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা
ভ্রমণ তথ্য

গাজীপুর সাফারি পার্কে গিয়ে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা

সিলেটের গোয়াইনঘাট রাতারগুল হারাচ্ছে পর্যটন আকর্ষণ : কমছে পর্যটক
ভ্রমণ তথ্য

সিলেটের গোয়াইনঘাট রাতারগুল হারাচ্ছে পর্যটন আকর্ষণ : কমছে পর্যটক

Next Post
স্ত্রীকে হত্যার কারন জানিয়ে স্বীকারোক্তি

স্ত্রীকে হত্যার কারন জানিয়ে স্বীকারোক্তি

Discussion about this post

সর্বশেষ সংবাদ

সুনামগঞ্জে বিপ্লব ও সংহতি দিবসে শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

সুনামগঞ্জে বিপ্লব ও সংহতি দিবসে শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৩৭

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ৩৭

সুনামগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

সুনামগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত

টাঙ্গাইলে হাবুর দায়েরকৃত মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

টাঙ্গাইলে হাবুর দায়েরকৃত মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

নোয়াখালী রুটে চালু হচ্ছে নতুন ট্রেন

নোয়াখালী রুটে চালু হচ্ছে নতুন ট্রেন

আর্কাইভ

November 2026
S M T W T F S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930  
« Oct    

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুল বারী
ইমেইলঃ [email protected]

Mobile No- +88 01710862632
ঢাকা অফিসঃ ৩৩ কাকরাইল (২য় তলা)
ভিআইপি রোড, কাকরাইল ঢাকা -১০০০
প্রেসবিজ্ঞপ্তি পাঠানোর ইমেল:
[email protected]
কুষ্টিয়া অফিস: দৈনিক দেশতথ্য
দাদাপুর রোড (মজমপুর)
(কুষ্টিয়া পুলিশ লাইনের সামনে)
মোবাইল:01716831971

Copyright © 2024 dailydeshtottoh All right reserved. Developed by WEBSBD.NET

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • জাতীয় খবর
  • স্থানীয় খবর
  • বিদেশি খবর
  • শিক্ষা
  • স্বাস্থ্য
  • কৃষি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • ধর্ম
  • আইটির খবর
  • লাইফস্টাইল
    • ভ্রমণ তথ্য
  • সম্পাদকীয়
    • মতামত
  • অন্যান্য
    • প্রাপ্ত বয়ষ্কদের পাতা
    • সাহিত্য ও সংষ্কৃতি
    • স্মৃতিচারণ/স্মরণ
    • ফটো গ্যালারী
  • ই-পেপার

Copyright © 2024 dailydeshtottoh All right reserved. Developed by WEBSBD.NET

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist