স্টাফ রিপোর্টার : বিশ্বকাপে ব্রাজিলের হেক্সা জয়ের স্বপ্ন থেমে গেল নকআউট পর্বেই। নরওয়ের বিপক্ষে ২-১ গোলের পরাজয়ের ম্যাচে পেনাল্টি মিস, একাধিক সুযোগ নষ্ট এবং রক্ষণভাগের ভুলের মাশুল দিয়ে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচ শেষে আবেগাপ্লুত হয়ে মাঠেই কান্নায় ভেঙে পড়েন নেইমার।
বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ নকআউট ম্যাচে নরওয়ের বিপক্ষে ২-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে ব্রাজিল। পুরো ম্যাচজুড়ে সুযোগ তৈরি করেও সেগুলো কাজে লাগাতে না পারা, পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হওয়া এবং রক্ষণভাগের ভুল শেষ পর্যন্ত ব্রাজিলের বিদায়ের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
ম্যাচের শুরুতেই গোল করার বড় সুযোগ পায় ব্রাজিল। ১৩তম মিনিটে পাওয়া পেনাল্টি থেকে দলকে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকলেও সেটি কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। ওই মুহূর্তটি ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয় বলে মনে করছেন অনেক বিশ্লেষক। পরে আরও কয়েকটি আক্রমণ তৈরি হলেও সেগুলো থেকেও গোল আদায় করতে পারেনি ব্রাজিল।
অন্যদিকে নরওয়ে সুযোগের সর্বোচ্চ ব্যবহার করেছে। বিশেষ করে আক্রমণভাগে আর্লিং হালান্ডের উপস্থিতি ব্রাজিলের রক্ষণকে বারবার চাপে ফেলে। ব্রাজিলের ডিফেন্ডাররা তাকে কার্যকরভাবে আটকে রাখতে পারেননি। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নরওয়ে ম্যাচে এগিয়ে যায় এবং শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করে।
ম্যাচজুড়ে নেইমারের ভূমিকা নিয়েও আলোচনা তৈরি হয়েছে। অনেকের মতে, ব্রাজিলের অভিজ্ঞ এই তারকাকে আরও বেশি সময় ও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা হলে ম্যাচের চিত্র ভিন্ন হতে পারত। তবে কোচের কৌশল ও দল নির্বাচন নিয়ে এখন প্রশ্ন তুলছেন সমর্থক ও ফুটবল বিশ্লেষকদের একটি অংশ।
শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গেই মাঠের মাঝখানে আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি নেইমার। হাঁটু গেড়ে বসে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। সেই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ব্রাজিলের সমর্থকদের জন্য এই বিদায় ছিল অত্যন্ত হতাশাজনক, কারণ দলটি শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবেই টুর্নামেন্ট শুরু করেছিল।
এই পরাজয়ের মধ্য দিয়ে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হলেও দলটির ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, কোচিং কৌশল এবং অভিজ্ঞ ও তরুণ ফুটবলারদের সমন্বয় নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে ফুটবল অঙ্গনে।
আর//দৈনিক দেশতথ্য// ঢাকা।
প্রিন্ট করুন







Discussion about this post