মীর আনোয়ার হোসেন টুটুল, টাঙ্গাইল : ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের বিভিন্ন বাস স্টেশনে নির্মিত যাত্রী ছাউনিগুলো এখন অযত্ন-অবহেলায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাবে অনেক ছাউনিতে জমেছে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ। কোথাও আবার দুর্বৃত্তরা চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে টিনের চাল ও যাত্রীদের বসার বেঞ্চ।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) মহাসড়কের কয়েকটি বাস স্টেশন ঘুরে দেখা যায়, যাত্রীদের অপেক্ষার সুবিধার জন্য নির্মিত এসব ছাউনি বর্তমানে প্রায় অকার্যকর হয়ে পড়েছে। অনেক জায়গায় স্থানীয়রা ছাউনি দখল করে খড়কুটো ও বিভিন্ন সামগ্রী রেখে ব্যবহার করছে। ফলে যাত্রীদের পরিবর্তে এসব স্থাপনা হয়ে উঠেছে অরক্ষিত ও অপরিচ্ছন্ন।
স্থানীয় যাত্রীদের অভিযোগ, পরিবহন মালিক ও শ্রমিকদের অনিয়মের কারণে নির্ধারিত বাস স্টেশনে বাস থামানো হয় না। পাশাপাশি সড়ক ও জনপথ বিভাগের পর্যাপ্ত তদারকি না থাকায় ছাউনিগুলো ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
জানা গেছে, ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করার সময় যাত্রীদের সুবিধার জন্য প্রায় ২২টি বাস স্টেশনে বিপুল অর্থ ব্যয়ে যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হয়। গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস থেকে যমুনা সেতুর পূর্বপ্রান্ত পর্যন্ত এসব স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল।
নিয়মিত চলাচলকারী যাত্রীরা জানান, যাত্রী ছাউনিগুলো রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হতো। কিন্তু বর্তমানে এসব স্থাপনা ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সড়ক ও জনপথ বিভাগ, হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগ মির্জাপুর কার্যালয়ের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. রুহুল আজম জানান, মহাসড়ক নির্মাণকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মীর আক্তার হোসেন কনস্ট্রাকশন লিমিটেড ও মোনায়েম অ্যান্ড কোং এখনো যাত্রী ছাউনিগুলো পুরোপুরি সড়ক ও জনপথ বিভাগের কাছে হস্তান্তর করেনি। তবে তারা মহাসড়কটি দেখভাল করছেন। যাত্রী ছাউনিগুলো পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আর//দৈনিক দেশতথ্য// ঢাকা।
প্রিন্ট করুন









Discussion about this post